বিষয়: পবিত্রতা প্রসঙ্গে
[১৭৪]
প্রশ্ন:
মুহতারাম, আমার স্ত্রীর সাথে রাত্রি যাপন করার পর আমাদের উভয়ের উপর গোসল ফরজ হয়, অতপর আমরা উভয়ই একসাথে গোসল করতে যাই এবং আমি কূলি করে ওনাকে পানি দিয়ে গোসল শুরু করে দেই এবং সারা শরীরে পানি ঢালি এবং ভালোভাবে গোসল করি, তা দেখে আমার স্ত্রী আমাকে বলে তোমার গোসল আদায় হয়নি, কেননা তুমি তোমার লজ্জাস্থান গোসল করার পূর্বে ধৌত করনি। এখন আমার জানার বিষয় হল ফরজ গোসল করার পদ্ধতি কি এবং উক্ত সুরতে আমার ফরজ গোসল আদায় হয়েছে কিনা?
নিবেদক
মো: সাইফুল্লাহ
উত্তর:
গোসলের ফরজ ৩টি । ১- কুলি করা, ২- নাকে পানি দেওয়া, ৩- সমস্ত শরীর ধৌত করা, এবং সুন্নত পদ্ধতি হল, প্রথমে দুই হাত তিন বার ধৌত করবে, অতপর লজ্জাস্থান ধৌত করবে, এবং শরীরে যদি নাপাক লেগে থাকে তাহলে তা ধৌত করবে, অতপর নামাযের জন্য যেইভাবে অজু করা হয় সেইভাবে অজু করবে, এবং গোসলের পানি জমার আশংকা থাকলে পা গোসলের পরে ধৌত করবে, অতপর ডান কাধে তিনবার পানি ঢালবে এবং বাম কাধে তিনবার পানি ঢালবে এবং গোসলের সময় পানি অপচয় করবেনা । এবং ক্বিবলার দিকে ফিরে গোসল করবে না। এবং প্রথমবার পানি ঢেলে শরীর ভালো ভাবে ধৌত করে পরিস্কার করে নিবে। আর আপনি যদি এরকম ভাবে গোসল করেন যে, আপনার শরীর এবং কাপড়ে কোন ধরণের নাপাকি না থাকে এবং পানি ও সব জায়গায় পৌছে গিয়ে থাকে তাহলে আপনার গোসল হয়ে গিয়েছে।
الأدلة الشرعية
–ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া (১/৫৭৯ আশরাফিয়া); ফাতহুল কাদির (৪/২৭৫ আশরাফিয়া); ইনায়া (৪/২৭৫ আশরাফিয়া); আল-কিফায়া (৪/৬১ আশরাফিয়া)
সমাধানে
মুফতী ইমাম উদ্দীন
প্রিন্সিপাল: জামিআ মাহমুদিয়া যাত্রাবাড়ী ঢাকা
সাবেক উস্তাদ ও শিক্ষা সচীব: জামিআ আবু বকর সিদ্দীক রা.
মুতাখাসসিস ফিল-ফিকাহ: দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী।
খতীব: মাসজিদে ওমর, সামাদনগর,যাত্রাবাড়ী, ঢাকা